To Let (2026), film still

To Let

About this Short Film

This is not a film about blindness or vision disability rather It is a film about a human right that becomes inaccessible when society mistakes disability for inability! The visual experiment is very authentic as the film explores through the protagonist's perspective and very first time try to create nothingness. Technically people used to see film from director’s or cinematographer perspective with visual and other technical excellency but this time it's entirely different. This is a very unique attempt which is not very comfortable with average audiences. The story begins with the protagonist’s reality, Vashkar Bhattacharjee in his late 40 Living alone in Dhaka for work, Vashkar cannot find a home to rent independently, not because of financial limitations, but because landlords do not believe a blind person can live alone. Instead, he shares a cramped room with several strangers, sacrificing the privacy and dignity that most people take for granted. Through intimate moments from his daily life, the film reveals a striking contradiction. Using assistive technology, smartphone navigation, screen readers, artificial intelligence, and independent mobility skills, Vashkar confidently works, travels, manages his life, and contributes to national policy. The real barrier is not blindness, it is the low expectations and stereotypes that surround it. To-let is not simply a story about housing. It is a story about trust, independence, and the right to live with dignity. It asks a simple but profound question: If society already recognizes someone's achievements, why does it still hesitate to trust their ability to live independently?

Film Details

Country: Bangladesh
Genre: Drama
Festival Year: 2026
Filmmaker: Atopor Shabdayan

Film Transcript

কি বাবু, ছুটি দিলে এত সকাল সকাল কি করেন? আরে ভাই, একটা জরুরি কাজ আছে রে ভাই। আপনারা আবার লাইট লাগে নাকি? বন্ধ করে দেন। এদের সাথে এতদিন বাস করি। এরা আসলে একটু সম্মান দিতেও শিখলো না।

ভিডিও ক্যামেরা, ভিডিও কল — হ্যালো, এই ঠিক আছে? বলো, কি মনে হয়, এবার হবে? আমি মনে করছি এবার হয়ে যাবে, বুঝছো? মানে ভদ্রলোক তো মনে হইলো ভালোই। হ্যা, আশা করি হয়ে যাবে। এবার সব কিছু বলছো তুমি। আরে, আর কি বলবো — সব কিছু বললে কি আর বলব?

আমি দেখি না; গিয়ে দেখে যাওয়ার সময় কিন্তু কিছু নিয়ে যাওয়া মনে করে দেখি কি নিতে পারি। আমি ওকে, আমি রেডি হয়ে — সময় সময় কম। এ সময় আবার কে একটু শান্তিতে স্নানটাও করতে পারি না। একটা মিনিট, একটু অপেক্ষা করেন।

আমি দেখেন না, আর জায়গা গায়ে শ্যাম্পু ট্যাম্পু মাখা — একটু সময় দেন, একটা মিনিট।

বাবু, ছুটির দিনে সাইজ কই যাইতাছে? একটু জরুরি খাতে যাইতেছি। আমি তো আমার ব্যাপারটা তারে জানাইলাম না; গিয়ে দেখি ভদলো তো ভালোই মনে হইছে।

আসসালামু আলাইকুম, স্যার। ওলাইকুম আসসালাম। এখানে কোন রিক্সা আছে? খালি রিক্সা? পানির টাঙ্গি আসেন, পানির টাঙ্গি কোথায় যাবেন? আপনি সেখানে চিনবেন।

আরে ভাই, আমার যন্ত্র আছে, আমার যন্ত্র আমারে চিনা দিব। আপনি ভয় পাইয়েন না। চলেন, যাওয়ার দরকার? যাবি ঠিক আছে। এত বেশি কথা কস কেন? আপনি একটা ফলের দোকান দেখে একটু দাঁড়াবেন, ভাই।

এই যে ভাই, এটা কি আম্রপালি নাকি? বুঝবেন কিভাবে? আমাকে আপনি দুই কেজি দেন তো। দাদা নিন। এই যে নিন 500 টাকা। চলেন।

এ আশা। জি খালু। দেখতো কে হল? খালো একটা লোক। আচ্ছা, আসতে দে — ভিতরে আসেন, সোজা সোজা, একটু বাম ডানে রানে বসেন, বসেন, বসেন। সবসময় তো আর সব মানুষ একই রকম হয় না। হয়তো এবার সফল হইতে পারি, কি হয়, কি জানি।

খালু, লোকটা তো চোখে দেখে না, তো আসতে কোন সমস্যা হয়নি। তো ভাস্কর বাবু — না, আমি তো আসলে একাই চলাফেরা করি, কোন অসুবিধা নাই। আমি সুন্দরভাবে আসতে পারছি। আর কি, আমি আসলে আপনার জন্য এডভান্স সবকিছু রেডি করে এনেছি। আপনি যদি আজকে রাজি থাকেন, তাহলে আমরা আসলে ফাইনাল করতে পারি। আর কি, আচ্ছা জি, খালু, চা দে।

কি ব্যাপার? বাড়িওয়ালা তো কিছু কি কয় না? দেখি, সে কি মনে করলো? আমি তো বুঝলাম না — সে অবাক হইলো নাকি? দেখা যাক কি বলে। ধন্যবাদ তো যদি একটু বলতেন। আর কি, এখন আমরা ই করতে পারি।

এখন আপনি এরকম একটা বিষয় আগে তো বলেন নাই; এটা তো হঠাৎ করে বললে তো সমস্যা — কোনটা বলেন তো?

এই যে, আপনি চোখে দেখেন না। আরে ভাই, এটা তো কোন সমস্যা নাই। এটা তো আমার একেবারে ব্যক্তিগত বিষয়; আমি চোখে দেখি নাই — সমস্যা না। এটা তো আসলে আমি আমার মত করে সব ম্যানেজ করতে পারব; আপনাকে এ ব্যাপারে একেবারেই চিন্তা করতে হবে না।

এটা একটা বিল্ডিং; এখানে তো আরো লোকজন বাস করে। আশেপাশে কত ধরনের মানুষ আছে, এখন সবাই তো ব্যাপারটা ওইভাবে ভালোভাবে নিবে না। আর আপনি একটা অন্ধ মানুষ, চোখে দেখেন না — কখন কোথায় কোন সমস্যা হয়, কোন এগুলা আসলে দায়িত্ব নেওয়া মুশকিল।

না, এটা কেমন হলো? দেখেন, আমি এখন পর্যন্ত প্রায় 13 টারও বেশি বাড়ি দেখেছি; বাড়িওয়ালারা সবসময় কথাই বলছেন। আমি কি একটা ঘর পাবনা থাকার জন্য? এটা তো হতেই পারে না। বুঝতে পারছি।

কিন্তু না, এটা আসলে ভাস্কর বাবু, আমি পারবো না। এটা সম্ভব না হবে না। তাই তো জি, আপনার জন্য একটা ছোট্ট উপহার এনেছি — এটা রাখেন। হ্যাঁ ওকে। উনারা আগায় দে। আমি একাই যেতে পারবো — থ্যাংক ইউ।

না, এইবারও হইলো না। আর কি, বুঝলাম না, আমি নিজের টাকা দিয়ে একটা বাসা নিব — সেটা ও হবে না। এটা কি দেশ, কি অবস্থা? এখানে আমরা আসলে যাবটা কোথায়? আসলে ঢাকা শহরের একটা কুকুরও মনে হয় আমার চেয়ে ভালো থাকে।

আমার জীবনে না, কোনদিন কোন কিছু একবারে পাই নাই। কোন না কোন দিন, কোন না কোন বাড়িওয়ালা আমাকে একটা ঘরভাড়া দেবে। সেদিনের আশায় রইলাম।

Filmmaker

Atopor Shabdayan is the filmmaker behind this entry. See every Focus on Ability entry from Atopor Shabdayan.

?

1 comment
A
Anonymous 21/08/2026

Nice work story so reale

❤ Donate